বৈদ্যুতিক শক খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে অভিনব সুইচ বোর্ড তৈরি - Republic News Post

STAY WITH VIDEO

Post Top Ad

Wednesday, 27 January 2021

বৈদ্যুতিক শক খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে অভিনব সুইচ বোর্ড তৈরি

    


   নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা,২৭জানুয়ারি :- বৈদ্যুতিক শক খাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে অভিনব সুইচ বোর্ড তৈরি করলেন উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী বাপ্পা রায়। ভেজা হাতেও ইলেকট্রিকের সুইচ বোর্ডে হাত পড়লেও যাতে শক না লাগে এমনই সুইচ বোর্ড উদ্ভাবন করলেন তিনি। তাঁর এই কাজে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের পড়ুয়ারা। বাপ্পা রায়ের এই অভিনব উদ্যোগকে ঘিরে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসাহ উদ্দীপনা তুঙ্গে।ভেজা আঙুলে সুইচ বোর্ডে হাত পড়লেই ইলেকট্রিক শক খাওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। বর্ষাকালে বাড়িতে ঘরে, বা অফিস কর্মস্থলে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি মাঝেমধ্যেই শর্টসার্কিট হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শক খাওয়া থেকে বাঁচতে এক অভিনব সুইচ বোর্ড বানিয়ে তাক লাগালেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের কর্মী বাপ্পা রায়। তাঁর আবিস্কৃত এই এই সুইচ বোর্ডের মধ্যে কোনও বৈদ্যুতিক সংযোগ থাকছেনা। ফলে ভেজা হাতে বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় সুইভ টিপলে শক খাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকবেনা বলে দাবি বাপ্পা বাবুর। তিনি জানিয়েছেন, কিছুদিন আগেই বাড়িতে ভেজা হাতে সুইচ টিপতে গিয়ে বড়সড় বৈদ্যুতিক শক খেয়েছিলেন তিনি। তখনই বিকল্প কোনও কিছু করার ভাবনা মাথায় এসেছিল তাঁর। ইলেকট্রনিকস সরঞ্জাম নিয়ে নাড়াচাড়া করে মসফেট, ট্রানজিস্টার ও বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে সুইচ বোর্ডটি তৈরি করেন তিনি। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সুইচ বোর্ডের মধ্যে নতুন বানানো সার্কিটটি ইনস্টল করা হয়েছে। সেটি ভালোমতো কাজও করছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংরক্ষণ ও বিল কিম আসার জন্য সোলার সেলের একটি ডিভাইস তৈরি করেছেন বাপ্পা রায়। এই ডিভাইসে ইলেকট্রিক সুইচ বোর্ড থেকে একটি বা দুটি আলো জ্বালাতে হবে। পরবর্তীতে সেই আলো গিয়ে পড়বে সোলার সেলের উপর। তখনই সোলার সেল চার্জিং হওয়া শুরু হবে। রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের কর্মী বাপ্পা রায় বলেন, স্কুল, কলেজ, অফিসে বিদুতের খরচ কমানোর জন্য এটি আদর্শ উপায়। 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad